Thursday , November 23 2017
শিরোনাম
You are here: Home / অপরাধ / বগুড়ার ধুনটে শিক্ষক হত্যাকা-ের আড়াই বছর পর স্ত্রী আটক

বগুড়ার ধুনটে শিক্ষক হত্যাকা-ের আড়াই বছর পর স্ত্রী আটক

বগুড়ার ধুনটে শিক্ষক হত্যাকা-ের আড়াই বছর পর স্ত্রী আটক
ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার ধুনটে চাঞ্চল্যকর স্কুল শিক্ষক শহিদুল ইসলাম হত্যাকা-ের আড়াই বছর পর সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তা হত্যাকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী হিসাবে তার স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা সীমা খাতুনকে আকট করেছে। সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, চাঞ্চল্যকর শিক্ষক হত্যাকা-ের সাথে নিহত শিক্ষক শহিদুলের স্ত্রী সীমা খাতুন জড়িত থাকায় তাকে গত বৃহস্পতিবার আটক করা হয়েছে। তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোববার আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। শুনানি শেষ হয়েছে। এখন আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
জানা গেছে, উপজেলার রুদ্রবাড়িয়া গ্রামের আজমল হোসেনের ছেলে পীরহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম গত ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর চালাপাড়া গ্রামের শাজাহান আলী তালুকদারের মেয়ে বাটিকাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সীমা খাতুনকে বিয়ে করেন। সীমা খাতুনই ছেলে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী দাবি করে, শহিদুলের বৃদ্ধ বাবা আজমল হোসেন বলেন, বিয়ের পর থেকেই সীমা খাতুনের প্রেমিক গোপালপুর খাদুলী গ্রামের, মৃত রহমতুল্লার ছেলে খোরশেদ আলম শহিদুলকে প্রাণনাশের হুমকি দিত। এমনকী হত্যাকা-ের প্রায় এক সপ্তাহ আগে খোরশেদসহ তার সহযোগীরা শহিদুলের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়ে আসে। এ ঘটনার পর গত ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার সময় স্ত্রী সীমা খাতুনের প্রেমিক খোরশেদ আলম বাবলু ও তার সহযোগী রুবেল, কামাল ও সুজন শহিদুলের শয়ন ঘরের সিধ কেটে ভিতরে প্রবেশ করে শহিদুলকে জবাই করে হত্যা করে। একই বিছানায় স্ত্রী সীমা খাতুন থাকলেও তার কিছুই হয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শহিদুলের গলা কাটা লাশ ও হত্যাকা-ে ব্যবহৃত রক্ত মাখা একটি ছুরি উদ্ধার করে। নিহত শহিদুলের ছোট ভাই সাজেদুর রহমান সাজু বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
মামলার বাদী সাজেদুর রহমান সাজু বলেন, একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকা-ের সাথে জড়িতদের ধুনট থানা পুলিশ আটক করতে ব্যর্থ হয়ে বগুড়া ডিবি পুলিশের কছে মামলাটি হস্তান্তর করেন। একই ভাবে ডিবি পুলিশ ব্যর্থ হয় এবং সিআইডি পুলিশের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করে। সীমাকে আটকসহ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সে সময় শিক্ষক সংগঠন নানা কর্মসূচিতে রাজপথে নেমে ব্যর্থ হয়। পরে ঐ মামলাটি সিআইডির পুলিশের ইনস্পেক্টর আব্দুল মান্নানকে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top