Wednesday , September 20 2017
শিরোনাম
You are here: Home / অনিয়ম / মহেশখালীর সাধারণ মানুষের আর্তি !

মহেশখালীর সাধারণ মানুষের আর্তি !

মহেশখালীর সাধারণ মানুষের আর্তি !
মহেশখালী প্রতিনিধি
মহেশখালী থানার পুলিশের নির্যাতনে সাধারণ মানুষ অসহায়। পুলিশের পরিদর্শক পদে মহেশখালী থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর হইতে মহেশখালী নিরীহ লোকজন রাতে ঘুমাইতে পারছেনা! বর্তমানে মহেশখালী থানায় ও সি সাহেবের নিজস্ব ৭/৮জন এস, আই নিয়োগ রয়েছে। অপরাধ জগতের সাথে এই সমস্ত পুলিশ অফিসারের সরাসরি সখ্যতা রয়েছে বলে সাধারণ মানুষের ধারণা।
যেমন – এস আই শাওন দাশ, গত ১৪/০২/২০১৭ইংতারিখ মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত ০১ নং মাতারবাড়ি ইউনিয়নের পুলিশ পাড়ির দায়িত্বভার নিয়ে যে নজির বিহীন ঘটনা ঘটাইয়াছে। মাতারবাড়ি জিয়াবুল বাহিনীর সাথে আতাত করে ৬/৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিবুলার স্বামী বকসু মিয়ার নিজস্ব লবন চাষী ও চিংড়ি চাষের জমির উপর অনুমান রাত ৩:০০ ঘটিকার সময় গিয়ে এলোপাতাড়ি গোলাগুলি করে। পরদিন সকালে মাতার বাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সাহেবের উপস্থিতিতে কর্মরত বকসু মিয়ার ছেলে ওয়াজ উদ্দিন ও কর্মরত নাছির উদ্দিন এবং নাজিম উদ্দিনকে ধরে মাতার বাড়ি পুলিশ পাড়িতে নিয়ে আসে এবং ্হাজার হাজার জনতার সামনে তাহাদেরকে মহেশখালী থানায় বুঝিয়া দিতে দুইটি বন্দুক সহ রওনা হয়। আসার পথে মহেশখালী হোয়ানক ইউনিয়নের দক্ষিণ পার্শ্বে পানির ছড়া বাজারের উত্তর পার্শ্বে গাড়ি থামিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী দুইজনকে চোখ বেধে পাহাড়ের গোহায় নিয়া তাহারা দুইজনের পায়ে গুলি করে চিরতরে পঙ্গু করে দেয় এবং পূর্বের পরিকল্পিত ০৮(আট) টি দেশীয় বন্দুক দিয়া তাহাদেরকে মহেশখালী থানায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এর পর তাহাদের নামে তিনটি মিথ্যা অস্ত্র মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করে এবং ঐ টাকা নিয়া এস আই শাওন দাশ থানা থেকে ছুটি নিয়া চট্টগ্রামে গিয়া বিবাহ করে। এই হলো এস আই শাওনের আসল রূপ। এরপর গত ১৮/০২/২০১৭ইং তারিখ কালারমারছড়া থেকে মাতারবাড়ি যাওয়া আসার পথে দ্বারা খালের ব্রিজ নামক স্থান থেকে উত্তর নলবিলার আব্দুল গণির পুত্র জুইন্যা ডাকাতকে গ্রেফতার করে। সে বর্তমানে ১০/১২ টি মামলার পলাতক আসামী। তাহাকে গ্রেফতার করার পর মহেশখালী থানার ও সি সাহেবের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তার উপর ক্রসফায়ারের আদেশ থাকা সত্ত্বেও ৩০০,০০০/- ( তিন লক্ষ) টাকার বিনিময়ে ক্রসফায়ার না দিয়া কয়েকটা অস্ত্র দিয়া থানায় নিয়া আসে। পরদিন আদালতে চালান করে। কিছুদিন পর খুইল্যা নামে বড় মহেশখালী মুন্সির ডেইল গ্রামের এক বৃদ্ধ আসামীকে ধরে হোয়ানক কেরুনতলী নামক স্থানে নিয়া ক্রসফায়ার দিয়া মেরে ফেলে। গত ১০/০২/২০১৭ইং তারিখ মহেশখালী থানার অন্তর্গত বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাকাটা বড় ডেইল গ্রামে মৃত চান মনু সিকদারের পুত্র শফিউল আলমকে একখানা মামলায় গ্রেফতারী দেখিয়ে গ্রেফতার করে। তখন সময় রাত ৩:০০ ঘটিকা। পরে রাত ৫:০০ ঘটিকার সময় গ্রেফতারকৃত আসামীকে থানা থেকে বের করে চোখ বেধে পুণরায় গাড়িতে করে আসামীর বাড়িতে নিয়ে যায়। ওখানে পূর্বের পরিকল্পিত হোছন চৌকিদারের মাধ্যমে আসামী শফিউল আলমের বাড়ির এক কিনারায় লাকড়ীর টালের মধ্যে ৩(তিন) টি অস্ত্র ফেলিয়া দেয়। ঐ অস্ত্রগুলো দেওয়ার সময় আসামীর মেয়েরা দেখে কান্নার সুরে চিৎকার করে। তখন এস আই হারুন আসামীর উপযুক্ত মেয়েদেরকে গালে তাপ্পর ও লাথি ঘুষি মারে এর সাথে সাথে ৩টি গুলি ফায়ার করে। তারপর আসামীকে থানায় নিয়া ১১/০২/২০১৭ইং তারিখ আদালতে চালান করে এবং আসামীর শত্র থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়া মিথ্যা অস্ত্র মামলা রুজু করে। এই হলো মহেশখালী থানার এস আই হারুনের আসল পরিচয়। গত ১২/০৩/২০১৭ইং তারিখ মহেশখালী থানার অন্তর্গত কালারমারছাড়া ইউনিয়নের মিয়াজীর পাড়া গ্রামের আহমদ আলী প্রকাশ (হাসমত আলী) পিতা- মৃত গোরা মিয়া এর সাথে উক্ত এলাকার মৃত আবু সালেক এর ছেলে নূর মোহাম্মদ এর সাথে লবন চাষের জমি নিয়া দুই পক্ষই সংঘর্ষ হয়। সেই বিষয় নিয়ে মহেশখালীর থানার জিডি ও অভিযোগ দায়ের করা হয়। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে কালারমারছাড়ার পুলিশ পাড়ির দায়িত্ব প্রাপ্ত আই সি এস আই মেহেদী হাসান বাদী ও বিবাদী বরাবরে নোটিশ করে। কালারমারছাড়া পুলিশ পাড়িতে হাজির হওয়ার আদেশ করলে উভয় পক্ষ কাগজ পত্র নিয়া হাজির হয়। কালারমারছাড়া পুলিশ পাড়ির আই সি মেহেদী হাসান উভয় পক্ষের কাগজ পত্র দেখে পর্যালোচনা করে আহমদ আলী প্রকাশ ( হাসমত আলী) গং দেরকে ৯(নয়) কানি জমির লবন সহ মৌখিকভাবে রায় প্রদান করেন এবং উক্ত রায় মহেশখালী থানার ওসি প্রদিপ কুমার দাশকে অবগত করেন। এরপর প্রতিপক্ষ ৭/৩/২০১৭ইং তারিখ ০১ নং প্রতিপক্ষ হাসমত আলীর ছোট ভাই মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে মহেশখালী থানায় ৫০,০০০/- টাকা দেওয়ার জন্য দাবী করে। তাহা হাসমত আলীর লোকজন চাঁদার টাকা দিতে অমত প্রকাশ করে এবং রাজিও হয় নায়। সে কারণে গত ৯/৩/২০১৭ইং তারিখ রাত ১১:৩০ মিনিটের সময় মহেশখালী থানা পুলিশের সহায়তায় বিবাদীগণ এস আই রাজু আহমদ সহ ৩০/৪০ জন পুুলিশ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী দরখাস্ত আবেদনকারীর বাড়ির উঠানে মিয়াজীর পাড়া প্রাথমিক স্কুল মাঠে বিক্রির জন্য মওজুদ করা (৯০০) নয় শত মন বস্তাবর্তী যাহার বর্তমান মূল্য ৫০০,০০০/-( পাচ লক্ষ) টাকার লবন লুঠ করিয়া নিয়া যায়। হাসমত আলীর আত্মীয় স্বজন ও পরিবারের মহিলা সহ কান্নাকাটি করে বাধা দেওয়ার জন্য আসিলে অন্যায় বশিভূত হইয়া আবেদনকারী হাসমত আলী আত্মীয় স্বজনকে বেদুম মারধর করে এবং নারী ও শিশু সহ ১০/১২ জন কে আঘাত করে লাশ করে ফেলে।

এবং তাহাদের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করে। এ হল মহেশখালী থানা পুলিশের আসল রূপ। গত ০৬/০৩/২০১৭ইং তারিখ মহেশখালী উপজেলার ৮নং কুতুবজুম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড তাজিয়াকাটা গ্রামের মৃত আব্দুস শুক্কুরের পুত্র মোহাম্মদ নাছির প্রকাশ ছাগল নাছিরকে মানব পাচার মামলায় সি এন জি গাড়ি থেকে  নিজ এলাকায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। ঐ এলাকার মৌলভী আব্দুল গফুরের চিংড়ি প্রজেক্ট থেকে অস্ত্র সহ গ্রেফতার করেছে বলিয়া প্রকাশ করে, এবং মৌলভী  আব্দুল গফুরকে মামলার ভয় দেখিয়ে অনেক টাকা আদায় করে। ও আসামী নাছিরকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে বড়িতে তার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আদায় করে। পরদিন আসামী নাছিরকে দেশীয় তৈরি ৪টা অস্ত্র দিয়া আদালতে চালান করে। এ হল  মহেশখালী থানার ওসি প্রদিপ কুমার দাশের আসল রূপ। মহেশখালী থানার ওসি নিজস্ব টিমের পুলিশ সদস্য হলো ১. এস আই জহিরুল ইসলাম ২. এস আই রাজু আহমদ ৩. এস আই শাওন দাশ ৪. এস আই শাহেদুল ইসলাম ৫. এস আই মেহেদী হাসান ৬. এস আই ইমাম হোসেন ৭.এস আই মনিরুল ইসলাম ৮.এস আই হারুন এই ৮(আট) জন পুলিশ ছাড়া অন্য পুলিশ সদস্যদের কোন ডিউটি নেই। ওসি প্রদিপ কুমার দাশ পূর্বে যে থানা গুলোতে ছিল ওখানখার দুই একটা থানায় তদন্ত করে দেখলে বুঝতে পারবে সেই পবিত্র আইনের পোষাক পরে নিরীহ জনগণের উপর কত প্রকার অন্যায় অত্যাচার ও ব্যবিচার করেছে। এরকম পুলিশ অফিসারের কারণে দেশের জনগণ পুলিশ প্রশাসনের উপর  আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। ওসি প্রদিপ কুমার দাশ এরপূর্বে কয়েকবার স্টেন রিলিস হয়েছে। তাহা সঠিক তদন্ত করলে সব গোপন তথ্য উদঘাটন হবে। তাহার কার্যকলাপের কারণে প্রমোশন হয় না। ডিমোশন হয় এবং মহেশখালী থানায় ২০/৩০ হাজার টাকা ছাড়া কোন এজাহার দায়ের হয় না। অন্য দিকে মহেশখালী থানায় বিচারের নামে এ এস আই ও এস আইদের কান্ড কীর্তন দেখলে মনে হয় তাহারা বিচারকের মতো ক্ষমতা নিয়ে বসে আছে। যেমন তেমন মানুষদের নিকট থেকে মোটা টাকা নিয়ে নন জুড়িশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপ বা সহি নিয়ে তাহারা বিচার বা শালিসের নামে প্রতিনিয়ত প্রহসন করেছেন। এ ব্যাপারে মহেশখালীর সাধারণ মানুষ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বর্তমানে মহেশখালীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার এর কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কারণ মানুষ নিরুপায় হয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করে উচিত প্রতিকার পাওয়ার জন্য আবেদন গুলো তদন্তভার এস পি সার্কেলকে দেওয়া হয়। সে কোন তদন্ত না করে ফেলে রেখে তাই আবেদনকারীরা কোন প্রতিকার না পেয়ে হয়রানীর শিকার হয়। কারো একখানা অভিযোগের প্রতিবেদন দেওয়ার মেয়াদ হল ১৫ দিন। দেশের সাধারণ মানুষ ওনার কাছে গিয়া কিছু বলার সাহস পাইনা। আর মহেশখালী থানা পুলিশের জায়গা জমিনের বিষয়ে বিচার আচার, ক্ষমতা পুলিশের না থাকা সত্ত্বেও থানার মধ্যে বিচারের আসর জমায় তাহারাতো বিচারক নয়। তাহারা হলো সহায়ক।
গত ১৯/০৪/২০১৭ইং তারিখ দুপুর ১২: ৫০ মিনিটের সময় কুতুবজুম দৈলার পাড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী মোস্তাক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ খাইরুল ওয়ারার বাড়িতে চার জন পুলিশ তল্লাশি করে ও তাহার বাড়ীতে থাকা বিধবা বড় বোনকে বিভিন্ন প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে চলে  এসে থানায় এসে তাহাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি প্রদান করে। অথচ সে আজ দুই বৎসর ধরে এলাকা ছেড়ে স্বপরিবারে কক্সবাজার চলিয়া গিয়াছে এবং মহেশখালী থানার দালালদের কথা বিশ্বাস করে ও সি সাহেব বিনা অপরাধে তাহার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তখন সে সচিবালয় হইতে এস পি বরাবর বিষয়টি অবগত করেন।
গতকিছু দিন পূর্বে বড় মহেশখালীর মেম্বার কবির আহমদের পুত্র আলী আহমদকে কোন অভিযোগ ছাড়া ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে মারধর করে চিরতরে পঙ্গু করিয়া দেয়। এ হল মহেশখালী থানার ও সি সাহেবের নিত্য নৈমিত্তিক পেশা ও নেশা।

চন্দসুর
এই দেশে  যাহারা করিবে শাসন, তাহারা করিতেছে শোষন।
তাহাদের মুখে আরো বড় বড় ভাষণ, প্রতিবাদ করিলে মিথ্যা মামলায় পাষণ
এই হল আমাদের মহেশখালীর প্রশাসন
টাকা দিতে পারলে বাচন, টাকা দিতে না পারলে মরন
মহেশখালী থানা, আসামী ছাড়া বাদী যাওয়া মানা।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top