Saturday , September 23 2017
শিরোনাম
You are here: Home / নির্যাতন / বিএসএমএমইউতে উপাচার্যের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হবার অভিযোগ উপ-উপাচার্যের

বিএসএমএমইউতে উপাচার্যের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হবার অভিযোগ উপ-উপাচার্যের

বিএসএমএমইউতে উপাচার্যের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হবার অভিযোগ উপ-উপাচার্যের

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সভায় বাকবিত-ার জের ধরে উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খানের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সেখানকারএকজন উপ-উপাচার্য। উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম জাকারিয়া স্বপন এই অভিযোগ করলেও উপাচার্য দাবি করেছেন তিনি কাউকে মারেননি। বরং উপ-উপাচার্যই সভায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিলেন। বাংলাদেশের একমাত্র চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যকার এই ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এই মেডিকেল কলেজের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গত বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসায় ডেকেছেন। জাকারিয়া স্বপন বলেন, গত বৃহস্পতিবার উপাচার্যের কক্ষে প্রশাসনিক সভায় প্রক্টরের উপস্থিত থাকার কথা না থাকলেও তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সভায় নার্স নিয়োগে উপাচার্যের দুর্নীতির বিষয়ে কথা বললে প্রক্টর বাকবিত-া শুরু করেন। বাকবিত-ার একপর্যায়ে আমি ভিসির চেয়ারের পেছন দিয়ে তার কক্ষ থেকে বের হতে গেলে তিনি (উপাচার্য) আমার কলার চেপে ধরেন, বলেন অধ্যাপক জাকারিয়া স্বপন। ক্যান্সারের রোগী হিসেবে বর্তমানে কেমোথেরাপি নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে লিখিতভাবে জানাবেন তিনি। সভায় প্রক্টরের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে উপ-উপাচার্য স্বপনই উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিলেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন উপাচার্য কামরুল হাসান। তিনি বলেন, প্রক্টরের সঙ্গে উপ-উপাচার্যের বাকবিত-া থামানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। আমি মারতে যাব কেন? ও (স্বপন) খুবই অসুস্থ, দেখতেও খারাপ লাগে। প্রতিদিনই তাকে কাউন্সিলিং করি। সভার পর দলবল নিয়ে জাকারিয়া স্বপন প্রক্টর হাবিবুর রহমান দুলালকে আক্রমণ করতে তার কক্ষেও গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন উপাচার্য। তাকে (দুলাল) কক্ষে না পেয়ে তার কক্ষের দরজায় লাথি মেরে চলে আসে। নার্স নিয়োগকে কেন্দ্র করে উপ-উপাচার্য স্বপন অস্থিরতার সৃষ্টি করছেন বলেও অভিযোগ করেন উপাচার্য। প্রাণ গোপাল দত্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য থাকাকালে প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক স্বপন। প্রাণ গোপালের মেয়াদ শেষে কামরুল ইসলাম উপাচার্য নিয়োগ পেলে প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে সরকার উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয়। প্রক্টর হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, উপ-উপাচার্য দলবল নিয়ে আমার উপর আক্রমণ করতে গিয়েছিলেন, যার ভিডিও ফুটেজও আছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে। দরপত্র নিয়ে একটি ‘ঝামেলা’ থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ৭ কোটি টাকার ঘাপলা আছে, এর সঙ্গে জাকারিয়া স্বপনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। টেন্ডারের ঘাপলার বিষয়টি আড়াল করতেই তিনি (স্বপন) নার্স নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক তোলার চেষ্টা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের এই ঘটনা জানার পর উভয়কেই গত বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় ডাকেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top