Monday , March 27 2017
শিরোনাম
You are here: Home / জেলা / খবর ২৪ ঘন্টা.কম.বিডির অন্তরাল চিত্রঃ কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলুর জুলুম ও উত্থান

খবর ২৪ ঘন্টা.কম.বিডির অন্তরাল চিত্রঃ কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলুর জুলুম ও উত্থান

খবর ২৪ ঘন্টা.কম.বিডির অন্তরাল চিত্রঃ কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলুর জুলুম ও উত্থান
রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহীর বহুল সমালোচিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবর ২৪ ঘন্টা.কম.বিডির অশিক্ষিত চেয়ারম্যান ও বহু মামালার কুখ্যাত সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম জুলু এবং তার লালনকৃত সন্ত্রাসী বাহিনীর ধারাবাহিক শার্ষ অপরাধ চিত্র মামলা তথ্য বিবরণী স্থানীয় সংবাদ পত্র এমনকি প্রশাসনেও ব্যাপক সারা জাগিয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরীর টিকাপাড়া (খুলিপাড়ার) মৃত নজির ড্রাইভারের ছেলে সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম জুলু প্রাইমারির দুই কাশ গন্ডি না পেরোতেই মুর্খতাকে বরণ করে নেয়ায় এলাকাবাসী কর্তৃক বখাটে জুলুকে “জুলহা” ছন্দনামে অভিহিত করে।
১৯৯২ সালের ১৬ই মে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্রিক কলহের জের হিসেবে শিরইল ষ্টেশন এলাকার হিটলার নামক একটি ছেলেকে হত্যা করার মাধ্যমেই তার শীর্ষ সন্ত্রাসী জীবনের সূচনা। অশিক্ষিত হওয়াই মাস্তানী পেশার দরুণ অত্র এলাকাকেই আধিপত্য বিস্তারের কেন্দ্র হিসেবে হত্যা, অঙ্গহানী, চাঁদাবাজী, ছিনতাই, আগ্রেয়াস্ত্র প্রদর্শন হুমকি সহ নানা অপরাধ জনীত অসংখ্য মামলায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী তালিকাভূক্ত হওয়াই তৎকালীন সময়েও ডিটেকশন-এ ধৃত হয়ে যৌবনের অনেকটা বছর রাজশাহী কেন্দ্রিয় কারাগারেই কাটে।
অশিক্ষিত হলেও নিজেকে প্রশাসনমুক্ত ও অপরাধের ধাঁচ পাল্টাতে সে অত্র এলাকার তৎকালীন সাংবাদিক জাহাঙ্গীর মন্টুর মোটর সাইকেলের পেছনে ঘুরে ঘুুরেই বিভিন্ন সাংবাদিক মহল, অফিস আদালত, থানা পুলিশের সাথে সখ্যতার দরুণ কালক্রমে থানা দালাল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে। ১৯৯৫ সালে অত্র এলাকার তাড়ি ব্যবসায়ী আঃ রব মিয়ার নিকট মাস্তানীর মাসোয়ারা আদায় কেন্দ্রিক কলহের জের ধরে সন্ত্রাসী জুলুর নিজ ব্যবহৃত পিস্তল রব মিয়ার টিনের চালায় ওঁজে রাখিয়ে অর্থ সিদ্ধির জন্য রব মিয়ার নীরিহ ছেলে বাদশাও আব্বাসকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে ঐ রাতেই তৎকালীন ওসি লুৎফরের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারক জুলু পঞ্চাশ হাজার টাকা আত্মসাত করে টিনের চালা বাড়ীতে প্রথম সোফা এবং লাল রঙের পুরনো একটি ইয়ামাহা মোটর বাইক কিনে। থানা দালাল সূত্রে বিভিন্ন মাদক স্পট আবাসিক হোটেল, কালো বাজারী, গরু ব্যবসায়ী এমনকি নীরিহ মানুষের সর্বনাশ করে পুলিশের নামে-বেনামে চাঁদাবাজী, ব্লাকমেইলিং, মাসোয়ারা আদায়ের মাধ্যমে রাতা-রাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়। হাতে সোনার ব্রেসলেট, আংটি, গলে চেইন ও নিরক্ষর দেহে সুগন্ধিসহ মার্চেন্ট পোষাক পরিধান করে।
তৎকালীন বিএনপি’র শাসনামলেই পুলিশী চাপে সদ্যবিদায়ী আঁখের গুছানো থানা দালাল জুলু নিজ আত্মীয় সম্প্রদায়ের দুর্র্বৃত্ত মুকুল, ক্যাডার রনি, মনা, মিলন, মুন জনি, কালু, আসনের, দুলাল, আলাল, সাহালাল, রঞ্জু সহ অজ্ঞাত অনেকের সহযোগে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীকে স্থানীয় বিএনপি নেতা সেলিম আহম্দে চুনির নিকট দলীয় মিটিং মিছিলের কাজে উৎসর্গ করে সখ্যতা সূত্রে প্রাপ্ত কোন অচল সাপ্তাহিকীর’ নামীয় ফটোসাংবাদিকতার কার্ড ধারণ এবং উক্ত লাল ইয়ামাহার সামনে পেছনে “প্রেস” ষ্টিকার লাগিয়ে বহু সমালোচনা, চাঁদাবাজী, ব্লাকমেইলিং এর সাথে ব-কলম কথিত ফটোসাংবাদিক উপাধী বা উত্থানের বর্হি প্রকাশ ঘটায়। একই সাথে তার দুর্বত্ত বাহিনীর গডফাদার হয়ে অত্র এলাকায় গৃহ নির্মানে, পুকুর ভরাটে চাঁদা বাজী, অঙ্গহানী, জমিদখল, কবর স্থানের গাছ কর্তন ও আসবাবপত্র তৈরী, বাসটার্মিনালে বোমাবাজী, ছিনতাই, ভাতিজা কর্তৃক মাদক বিক্রয়, সরকারী প্রটেকশনের ইট আত্মসাত, মিলনী সংঘ কাবের নামে রক্ষিত অবৈধ চাঁদার ছয় লক্ষাধীক অর্থ আত্মসাত ইত্যাদি অপরাধের সূত্রপাত করে।
সন্ত্রাসী জুলুর চক্রান্তের শিকার কারামুক্ত বাদশা সন্ত্রাসী জুলুর অপকর্মের বিপরীতে র‌্যাবের ফোর্সে যোগদানের মাধ্যমে অত্র এলাকার নির্মানাধীন একটি বাসা থেকে জুলু বাহিনীর অপকর্মে ব্যবহৃত একটি আগ্রেয়াস্ত্র উদ্ধার করাতে সক্ষম হয়। ফলে প্রেম বিবাহে নারাজ বাদশার শশুর পাশ্ববর্তী এলাকার অর্থ শালী তালুমিয়ার সাথে অর্থসিদ্ধ জুলু নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে জনৈক মারফত মিথ্যে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে খালু শশুরের বাড়ী নওগাঁ বদলগাছিতে যাওয়া সদ্য ভূমিষ্ট এক সন্তানের জনক দম্পত্তি বাদশা’র রক্তাক্ত লাশ রাস্তা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। অর্থসিদ্ধির লালসায় খুনি জুলু চুক্তির বাকী অর্থ আদায় কেন্দ্রিক তালুমিয়ার সহিত দ্বন্দের জেরে অবশেষে ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক চাঁদা বাজী সহ একাধীক মামলায় তৎকালীন ওসি আসলাম ইকবাল সন্ত্রাসী জুলুকে কোমড়ে রশি বেঁধে গ্রেফতার করে পায়ে হাঁটিয়ে থানায় আনলেও মূলতঃ বাদশার রহস্যজনক হত্যা চাপায় থাকে। ২০০৭ সালে অশিক্ষিত কথিত ফটোসাংবাদিক নামীয় বহু মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলু ও তার বাহিনী বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী হিসেবে দীর্ঘদিন আত্ম গোপনে থাকা বস্থায় যৌথ বাহিনী কর্তৃক ধৃত হয়ে জরুরী আইনে গ্রেফতার সহ অসংখ্য মামলায় কারাবরণ করে।
২০০৯ সালে নারী কর্তৃক ব্লাকমেইলিং মামলা বাজীর প্রথম হাতিয়ার বর্তমানে তার সশস্ত্র হামলার শিকার বিউটি পার্লার মালিক বেলীকে বাধ্যতামূলক ভাবে বোয়ালিয়ার তৎকালীন এস. আই আঃ গণীকে ব্লাকমেইলিং এর অপচেষ্টায় মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় হয়রানী করে। একইভাবে ব্লাকমেইলের জুলু স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার আলাল পারভেজ লুলুকে অর্থ সিদ্ধি ও ব্লাকমেইলিং এর অপচেষ্টায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে বেনামী মিথ্যা অভিযোগ ইমেল বার্তা এমনকি বেলী কর্তৃক মিথ্যা মামলার নায়ক ৩/৪ বার এলাকাচ্যুত প্রতারক জুলু প্রতিশোধে আওয়ামী নেতা লুলুকে হত্যার ষড়যন্ত্রে সিরাজগঞ্জ পশ্চিম থানার ৩/৪ টি সড়ক ডাকাতীর মামলায় আটক রেল পশ্চিমের চিহ্নিত টেন্ডারবাজ ও র‌্যাবের তালিকাভূক্ত কুখ্যাত সন্ত্রাসী শিরইল ষ্টেশন বাস্তুহারাপাড়ার আনোয়ার হোসেন রাজাকে অর্থের যোগান তদবিরেরর মাধ্যমে কারামুক্ত করে লুলুর পেছনে লেলিয়ে দেয়। ফলপ্রসূ, ২০১১ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর নগরীর আলুপট্টি গ্রামীণ ফোন সেন্টারের সামনে সন্ত্রাসী রাজা বাহিনী ও জুলু বাহিনীর প্রকাশ্য সশস্ত্র হামলায় ঠিকাদার লুলুকে হত্যার অপচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফুফাত ভাই থানা আওয়ামী নেতা মুদির ব্যবসায়ী নীরিহ পিন্টুকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ চাঞ্চল্যকর নৃশংস হত্যাকান্ডের ইন্ধন দাতাই ছিল সন্ত্রাসী জুলু। পরে সন্ত্রাসী জুলুও তার বাহিনী পলাতক থাকাবস্থায় এ হত্যা মামলার বাদী, নিহতের স্ত্রী ও স্বাক্ষীর বৃদ্ধামাকে পুনঃ হত্যার অপচেষ্টায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পর্যায়ক্রমিক একাধীন সশস্ত্র হামলায় পৃথক ২/৩ টি মামলায় সন্ত্রাসী জুলু বাহিনী সমেত পলাতক এবং পুলিশী ব্যর্থতায় স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন কর্তৃক বিভিন্ন সংবাদপত্র, মিডিয়া টেলিভিশনে অশিক্ষিত কথিত ফটোসাংবাদিক নামীয় কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলুও তার বাহিনীর ধারাবাহিক অপরাধ চিত্রের ঢালাও সম্প্রচার এবং কালো তালিকাভূক্ত অশিক্ষিত ভূয়া কথিত ফটোসাংবাদিক শীর্ষক শিরোনামে সন্ত্রাসী জুলুকে একাধিকবার প্রকাশ করা হয়। তৎকালীন পুলিশ কমিশনার ও ওবায়দুল্লাহর তৎপরতায় সন্ত্রাসী জুলু ও তার বাহিনীর অনেকে গ্রেফতার হয়ে একাধীক মামলায় দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকে।
২০১৩    সালের ১৬ মে সন্ত্রাসী জুলুর অবৈধ দাবীকৃত ২০,০০০ টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় অত্র এলাকার ওয়েলডিং এর দোকান মালিক নীরিহ মিরাজকে বাসায় ঢুকে অকথ্য নির্যাতন ও ধারাল চাকুর আঘাতে তার বাম চক্ষু নষ্ট করে দেয়। অঙ্গহানীর এ মামলায় সে পলাতক রয়েছে। এইক সালে সন্ত্রাসী জুলুর হামলার শিকার আঃ আজিজ কে পুলিশ কর্তৃক ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা বা বসতবাড়ী আত্মসাতের অপচেষ্টায় জনৈক প্রশাসনিক সখ্যতা বলে সিরাজগঞ্জ থানার ৩/৪ টি মোটর সাইকেল চুরির পেন্ডিং মামলায় ধৃত করিয়ে অর্থসিদ্ধির চেষ্টা করে। একই ভাবে অত্র এলাকার তাবলীগ পন্থি মুদির ব্যবসায়ী অর্থশালী নীরিহ মোত্তালিব ও ছেলে গোলাম রসুলকে চক্রান্ত করে বোয়ালিয়া পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলায় ধরিয়ে মোটা অংকের অর্থ সিদ্ধির অপচেষ্টাকরে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতা ও চাপের মুখে তাদের আর.এম.পি মামলায় চালান দেওয়া হয়।
অশিক্ষিত হলেও সন্ত্রাসী জুলু ধারাবাহিক অপরাধ প্রভূত কালো টাকা উপার্জন মামলা মোকদ্দমা কারাবরণ সমাজচ্যুতি উত্থান পতনের মাঝেও ঠিক এরশাদ শিকদারে মতই কলা-কৌশল অবলম্বন করে পাশাপাশি দুইটি দ্বীতল অট্টালিকার মালিক সহ কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স, লক্ষাধীক টাকার গাড়ী ও সুদের বিনিময়ে বিভিন্ন স্বর্ণ ব্যবসায়ীদেরকে লক্ষ লক্ষ কালোটাকার বিনিয়োগ করেছে। তার “শখের বাড়ী” নামক দামী টাইলস খচিত প্রসাদের প্রতিটি ইটের সাথে মিশে আছে, অসহায় ও ভূক্ত ভোগী মানুষের অভিশাপ।
আওয়ামী নেতা পিন্টু হত্যার নৈপথ্যে এই কথিত ফটোসাংবাদিক নামীয় সন্ত্রাসীর পুনঃ মুখোশ উম্মোচন, প্রশাসনিক নাটকীয় সখ্যতার বন্ধন ছিন্ন হয়ে বাহিনীসহ একাধীক মামলায় গ্রফতারের মাধ্যমে এমনকি অশিক্ষিত কথিত ফটোসাংবাদিক পূর্ণ পতন হলেও অস্থায়ী জামিনে কাামুক্তির পর কয়েক বছর এলাকাচ্যুত হয়ে নিজেকে আত্মগোপন করে। শীর্ষ অপরাধের গড ফাদার নিরক্ষর কথিত ফটোসাংবাদিকতার ভূঁয়া মোড়ক খসে পরায় সেকেলের থানা কর্তৃক বহিস্কৃত থানা দালাল সন্ত্রাসী জুলু আবারও প্রশাসনে অবাঞ্চিত হয়। কিন্তু নগরীর সোনাদীঘি মোড় এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকান চুরি ও পুলিশের ব্যর্থতায় বদলীর ব্যাপক হিড়িক এবং রদ-বদলের সুযোগে প্রতারক জুলু ভূয়া কথিত ফটোসাংবাদিক তাকে আঙ্গুল দেখিয়ে কালো টাকার স্বল্প বিনিয়োগে নামীয় খবর ২৪ ঘন্টা.কম. বিডি’র অবতারণা করে এবং কোন শাখা-সদস্য ছাড়াই নিজ ঘোষিত কথিত চেয়ারম্যান সাইন বোর্ডের ও প্রশাসনে নব নির্মিত নাটকীয় সখ্যতা, গাল-গল্প, সেল্ফির অন্তরালে আবারও পূর্বের ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাসী লালন, হত্যা, অঙ্গহানী, চাঁদাবাজী, জমি দখল, জালিয়াতি, নারী নির্যাতন, অবৈধ নারী প্রেরণ ও কৌশলে অশ্লীল ভিডিও ধারণ-ব্লাকমেইলিং মাদকস্পট, আবাসিক হোটেলে অনৈতিক মাসোয়ারা আদায়, তদবিরের নামে অর্থ আত্মসাত, উর্দ্ধতন প্রশাসনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি ও অর্থসিদ্ধির লক্ষ্যে নীরিহ মানুষকে হয়রাণী, সাংবাদিকতা শেখানো ও নিয়োগের নামে অসহায় মেয়েদের সতীত্বহানী-ব্লাকমেইলিং এর হাতিয়াড়ে বাধ্য করানো, মামলা বাজি, প্রশাসনে অবৈধ হস্তাক্ষেপ-স্বার্থসিদ্ধি, প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে চাঁদা বাজি, আদালত প্রাঙ্গনে সন্ত্রাসবাজি, আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসায় অংশীদারিত্ব ভাতিজা ক্যাডার রনি, দুলাল কর্তৃক ইয়াবা মাদক বিক্রয়ে সহযোগীতা সহ যাবতীয় অমানবীক অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি অত্র এলাকার জুলু বাহিনীর সশস্ত্র হামলার শিকার একই পরিবারের মহিলা সহ ৬ জন ও অপর একজন এই কুখ্যাত সন্ত্রাসীর অপকর্মের সহায়ক না হওয়াই মুনুষ বেলী, আজিজ, মজিদ, হিটলার, রবিন সহ ভূক্তভোগী সচেতন সমাজ গত ২৭শে অক্টোবর নগরীর জিরোপয়েন্ট এ সন্ত্রাসী জুলু ও তারবুদৃত্ত বাহিনীর বিরুদ্দে ছবি ও অপরাধ তথ্য সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন সমেত বিক্ষোভ মিছিল এবং বৃহৎ মানব বন্ধন করায় সন্ত্রাসী জুরুর নেতৃত্বে তার দুর্বৃত্ত বাহিনী এমনকি আদালত প্রাঙ্গনেও ৩/৪ দফা পর্যায় ক্রমিক সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার অপচেষ্টার অঙ্গহানী ও গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। এব্যাপারে বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানার পৃথক ৩/৪ টি মামলায় সন্ত্রাসীরা পলাতক রয়েছে।
কুখ্যাত সন্ত্রাসী জুলু ও তার বাহিনীর সাম্প্রতিক অপরাধ তথ্যের আলোকে সংবাদ প্রকাশ করায় প্রাইভেটডিটেকটিভ এর রাজশাহী ব্যুরো প্রধান মাকসুদ মিনু ও স্থানীয় আমাদের রাজশাহী ফটোসাংবাদিক কাবিল হোসেনকে প্রতিপক্ষের সাথে জরিয়ে ফেরারী সন্ত্রাসী জুলু তার মাদক সেবী নাতী আসামী রঞ্জুকে দিয়ে জেলা পবা থানায় তার রচিত মিথ্যা ছিনতাই মামলা করায়।
সন্ত্রাসী জুলুর বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া মডেল থানা ও রাজপাড়ায় ১৯টি মামলা ও ২৩টি জিডির তথ্য পাওয়া গেছে। যা:-
১. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-২৯/ তাং-২৫/০৩/২০০৬ ইং, ২. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-২৭/ তাং-২২/০২/২০০৬ ইং, ৩. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-২৯/ তাং-২২/০৬/২০০৬ ইং, ৪. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৩৭/ তাং-০৪/০৬/২০০৬ ইং, ৫. রাজপাড়া থানার মামলা নং-১৪/ তাং-১০/১১/২০০৬ ইং, ৬. রাজপাড়া থানার মামলা নং-১৩/ তাং-০৮/১১/২০০৬ ইং, ৭. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-২৫/ তাং-২৪/১১/২০০৬ ইং, ৮. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং অজ্ঞাত তাং-১৬/০৫/১৯৯২ ইং, ৯. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৪৫/ তাং-২৯/১০/২০১১ ইং, ১০. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৩৬/ তাং-২১/০৯/২০১১ ইং, ১১. বোয়ালিয়া থানার জিডি নং-১০৪০/ তাং-২৩/১০/২০১১ ইং, ১২. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৩৪/ তাং-৩১/১০/২০১১ ইং, ১৩. বোয়ালিয়া থানার জিডি নং-১৪০১/ তাং-২৬/০৫/২০১১ ইং, ১৪. বোয়ালিয়া থানার জিডি নং-৫০২/ তাং-১০/১০/২০১১ ইং, ১৫. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৩৯/ তাং-২৭/০৯/২০১৬ ইং, ১৬. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-৩৮/ তাং-১৯/০৮/২০১৩ ইং, ১৭. বোয়ালিয়া থানার মামলা নং-০১/ তাং-০১/১০/২০১৬ ইং, ১৮. বোয়ালিয়া থানার জিডি নং-১০৬২/ তাং-০৮/১১/২০১৬ ইং।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top