Wednesday , December 13 2017
শিরোনাম
You are here: Home / দখল / দখলদার উচ্ছেদের দাবিতে গাইবান্ধায় চিনিকল শ্রমিকদের রেলপথ অবরোধ

দখলদার উচ্ছেদের দাবিতে গাইবান্ধায় চিনিকল শ্রমিকদের রেলপথ অবরোধ

দখলদার উচ্ছেদের দাবিতে গাইবান্ধায় চিনিকল শ্রমিকদের রেলপথ অবরোধ

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

রংপুর চিনিকলের জমি থেকে ‘দখলদারদের উচ্ছেদের’ দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীরা গাইবান্ধায় রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাংগঞ্জ স্টেশনের রেলপথ অবরোধ করলে লালমনিরহাট ও দিনাপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের তারা অবরোধ প্রত্যাহার করলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান জানান। ১৯৫৫ সালে রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ চাষের জন্য গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের প্রায় এক হাজার ৮৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। গত ১ জুলাই থেকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমিতে ঘর তুললে চিনিকল শ্রমিকেরা আন্দোলনে যায়। পরে চিনিকল শ্রমিকদের পাশাপাশি, আখচাষি সমিতি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা এ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে। গাইবান্ধার স্টেশন মাস্টার আবুল কাশেম বলেন, সকাল ৯টার দিকে অবরোধকারীরা মহিমাগঞ্জ স্টেশনের রেল লাইনে শুয়ে পড়লে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে বোনারপাড়া রেলওয়ে থানা থেকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। অবরোধ চলাকালে রংপুর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান, আখচাষী সমিতির সভাপতি জিন্নাত আলী প্রধান, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন। অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার জমি উদ্ধার কমিটির সহ-সভাপতি সিলিমিন বাকশে বলেন, চিনিকল কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণের সময় জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তিতে বলেছিল, ওই জমিতে আখ ছাড়া অন্য ফসলের চাষ হলে প্রকৃত মালিকদের জমি ফেরত দিতে হবে। চুক্তি ভঙ্গ করে ওই জমিতে এখন ধান ও তামাক চাষ করা হলেও জমি ফেরত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে আন্দোলন করে কোনো সমাধান না মেলায় জমি দখল করা হয়েছে। অবশ্য চুক্তি নিয়ে তার দাবি নাকচ করে চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আউয়াল বলেন, জমি অধিগ্রহণের সময় চুক্তিনামায় বলা হয়, কখনো চিনিকল বা খামার বন্ধ হলে- সে ক্ষেত্রে ওই সব জমি সরকারের কাছে চলে যাবে।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top