Thursday , January 18 2018
শিরোনাম
You are here: Home / জীবন চিত্র / সুনামগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে জমে ওঠেছে পশুর হাট

সুনামগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে জমে ওঠেছে পশুর হাট

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: আর মাত্র দিন কয়েক বাকি রয়েছে কোরবানীর ঈদের। আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জমে ওঠেছে পশুর হাট। পৌরসভার ওয়েজখালী এলাকার মাঠে প্রতিদিন কোরবানীর পশু উঠছে। এবছর ভারতীয় গরুর আমদানী কম থাকায় দেশীয় গরুর ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন। গরুর পাশাপাশি মহিষ, ছাগল, খাসি, ভেড়াও বিক্রী হচ্ছে হাটে। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার জিবদারাবাজার, নুতন বাংলা বাজার, মিনাবাজার, ভমভমি বাজার, জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুরবাজার, নয়াবন্দরবাজার, বড়ফেঁচি বাজার, পল্লীগঞ্জবাজার, ইনাতগঞ্জবাজার, দাড়াখাইবাজার, গৌবিন্দবাজার, মীরপুরবাজার, কেউংবাজার, ভবেরবাজার এবং সুনামগঞ্জর সদর উপজেলার বালাকান্দাবাজার, বেতগঞ্জবাজার, ব্রাহ্মণগাঁওবাজার, কাঠইরবাজার, নৈগাংবাজার, লালপুরবাজার, মঙ্গলকাটাবাজার, পলাশবাজার, জয়নগর বাজারসহ আরও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দিবাজার, ধনপুরবাজারসহ জেলায় অর্ধশতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী গরুর বাজার বসেছে। এছাড়া খ্যাতনামা গরুর হাট ভীমখালি বাজার, পাথারিয়াবাজার, জাউয়াবাজার, ধর্মপাশাবাজারে বিপুল সংখ্যক দেশীয় গরুর আমদানি হয়েছে। আকার, ওজন ও সৌন্দের্যের উপর ভিত্তি করে গরুর দাম নির্ধারিত হয়। বাজারে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ জানান, প্রতিটি বড় গরুর দাম ৫০ থেকে শুরু করে লাখ টাকার উপরে। আবার মাঝারি আকারের গরুর দাম ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে অন্যদিকে ছোট আকারের গরুর দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। প্রতিটি খাসির দাম গড়ে ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রতিটি মহিষের গড় দাম ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। আবহওয়া ভালো থাকলে বাজারে আরও গরু ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন দাম কিছুটা কমতে পারে। কোরবানীর ঈদে প্রবাসীরা দেশে এসে এক সংগে ৫/৬ টি গরু কোরবানী দেন। এ কারণে গরু কেনার দিক থেকে প্রবাসীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। লন্ডনি জনপদ নামে খ্যাত জগন্নাথপুরে এবছর বিপুল সংখ্যক প্রবাসী ঈদ উদযাপন করতে এসেছেন। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থান করায় স্বজন ও শুভাকাক্সক্ষীদের সংগে তাঁরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন না। বছরের দুটো ঈদকে কেন্দ্র করে তাঁরা দেশে আসেন মিলেমিশে ঈদ উদযাপন করতে। এজন্য তাঁদের ব্যাপক প্রস্তুতি থাকে। এছাড়া ঈদে তাঁরা গরিব স্বজন ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য যাকাত ও দান খয়রাত করে থাকেন। সেই সংগে থাকে কোরবানীর পশুর মাংস বিতরণ। তাঁরা বাজারে বাজারে ঘুরে চাহিদা মতো গরু কিনে নেন। জাউয়া গরুর বাজরের গরুর বেপারী খায়ের মিয়া বলেন, বাজার থেকে প্রবাসীরা সরাসরি গরু কিনলে বেশি দাম দিতে হয়, তাই তাঁরা অন্যকারও সাহায্য নিয়ে গরু ক্রয় করেন। গরুর বাজারে পরিবারের পুরুষ ও ছোট ছোট শিশুরা আসে গরু কিনতে। এতে ছোটরা আনন্দ পায়। কোরবানীর হাটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ চৌধুরী জানান, কোরবানীর হাটের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা রয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। পোষাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোষাকে গোয়েন্দা পুলিশও কর্তব্য পালন করছে। জাল টাকা সনাক্তকরণ বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top