Saturday , September 23 2017
শিরোনাম
You are here: Home / ঢাকা / বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সাজা যাবজ্জীবন

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সাজা যাবজ্জীবন

full_2103127479_1471855692নিউজ ডেস্ক: ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নিলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে নতুন একটি আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, আইনে ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধের সংজ্ঞা এবং শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ধারা এ আইনে স্থানান্তর করা হয়েছে।বিষয়গুলো পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করে আইনমন্ত্রীকে চূড়ান্ত করতে বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের জন্য আইনের ১৫ এর ২, ৩, ৪ ও ৫ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা আদালত কর্তৃক মীমাংসিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিষয়াবলী বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে যেকোনো প্রকার প্রচার, প্রোপাগাণ্ডা বা এতে মদদ দেন তাহলে তার শাস্তি হবে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, সর্বনিম্ন ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

তিনি বলেন, অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ব্যাপারে অপরাধ করলে সর্বনিম্ন ২ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

‘কোনো ব্যক্তি অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো- যেমন: বিমান পরিচালনার জন্য যে সাইবার ম্যানেজমেন্ট আছে, এটার মধ্যে কেউ হামলা বা হ্যাক করে তাহলে এ দণ্ড কার্যকর হবে।’

ডিজিটাল বা সাইবার সন্ত্রাসরোধ করার জন্য সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও সংহতি ইফেক্ট করে এমন কোনো বিষয়; অন্য কোনো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত বা সম্পদ ক্ষতি বা বিনষ্ট করে- এমন কোনো বিষয়; সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সহায়তা বা প্ররোচিত করা; কোনো সশস্ত্র বা বৈরী পরিস্থিতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেনি এমন কেনো বেসামরিক ব্যক্তি বা অন্য কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের কোনো কম্পিউটার, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি নেটওয়ার্কের মারাত্মক ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো কিছু করা— এগুলো সবগুলো সাইবার সন্ত্রাস।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top