Thursday , November 23 2017
শিরোনাম
You are here: Home / মানবাধিকার / দেড় শতাধিক হুমকিদাতা আবদুল হকের নামে অভিযোগপত্র

দেড় শতাধিক হুমকিদাতা আবদুল হকের নামে অভিযোগপত্র

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্কঃ

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হুমকিদাতা সেই আবদুল হকের নামে অভিযোগপত্র দাখিল
অর্থ, আইন, শিক্ষা, ও কৃষিমন্ত্রীসহ দেড় শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যার হুমকিদাতা আবদুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগপত্র গত ৩১ মার্চ দেওয়া হলেও আজ শুক্রবার অভিযোগপত্র দেওয়ার বিষয়টি আদালত সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগপত্রভুক্ত দুই আসামি হলেন হাফেজ আবদুল হক ও তাঁর বন্ধু আমিনুর রহমান। বিভিন্ন সময়ে ফেসবুক, ইমেইল হ্যাক করার কারণে আবদুল হক এলাকা এবং বন্ধুদের কাছে ‘আবদুল হ্যাক’ নামেই পরিচিত।
আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আবদুল হক তাঁর দুই বন্ধুকে ফাঁসানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নম্বর সংগ্রহ করে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলে তাদের হত্যার হুমকি দিতেন। এই দুই বন্ধু হলেন সিলেটের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফয়জুর রহমান ও সালেহ আহম্মেদ ওরফে ফোয়াদ।
তবে ফয়জুর রহমান আদালতকে বলেছেন, ২০০৭ সালে আবদুল হককে নিয়ে একটি সাংস্কৃতিক ফোরাম করেন। একসঙ্গে তাঁরা লেখালেখি ও সাহিত্য চর্চা করতেন। কিন্তু আবদুল হক সরকার বিরোধী লেখালেখি করায় তাকে ওই ফোরাম থেকে বের করে দেন। এরপর প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে হক প্রথমে অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবদুল মুহিতকে হত্যার হুমকি দেন। পরে ২০১৩ সালে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর একইভাবে সে আইনমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিলে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু পরে প্রমাণিত হয়, হত্যার হুমকি তিনি দেননি।
আবদুল হকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফয়জুর রহমান আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, আবদুল হক ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনেক মানুষের ফেসবুক, ইমেইল হ্যাক করে। তাই এলাকার লোকে তাকে ‘আবদুল হ্যাক’ নামে ডাকে। এ নামে তাকে সবাই চেনে। আসামি আবদুল হক, আমিনুর রহমান ও তাদের বন্ধু ফয়জুরের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়াকোট গ্রামে। আবদুল হক ও ফয়জুর একই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হন।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর অর্থমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিকসহ ১৫৩ জনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে আবদুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর তাঁর বন্ধু আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৭ নভেম্বর। ডিবির পুলিশ পরিদর্শক শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে আবদুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top