Saturday , September 23 2017
শিরোনাম
You are here: Home / মানবাধিকার / গোপালগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর তরুণীর লাশ

গোপালগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর তরুণীর লাশ

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্কঃ

গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর সেপ্টি ট্যাংকের ভেতর থেকে সাথী খানম (১৯) নামে এক তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা ৪ টার দিকে সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের খালিদ চৌধুরীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংকির ভিতর থেকে পচাগলা লাশপি উদ্ধার করে পুলিশ।

এলাবাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোবরা গ্রামের পোদ্দারের চর এলাকার বাসিন্দা সোহরাব শেখের মেয়ে সাথি খানম ওরফে বিজলী গত সোমবার সন্ধ্যায় পাশের ফুফু বাড়িতে আম কুড়াতে যায়। দীর্ঘ সময় সে ঘরের বাইরে থাকায় বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজতে বের হয়। আশ পাশের বাড়ি ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টার দিকে বাড়ির খুব কাছেই সেপটিক ট্যাংকের কাছে মাছি উড়তে দেখে। সেখানে এলাকাবাসী পঁচা গন্ধ পেয়ে ট্যাংকের ভিতর টর্চের আলো জ্বেলে বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায়। পরে  পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ৪ টার দিকে লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতের পিতা সোহরাব শেখ বলেন, একই গ্রামের বেশ কয়েকজন যুবক আমার মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। আমরা গরীব বিধায় এর প্রতিবাদ করতে পারিনি। ওই দিন আমার মেয়ে ঘর থেকে আম কুড়াতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, আমার মেয়েকে একা পেয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের বড় বোন রূপা খানম বলেন, তিন মাস আগে পাশ্ববর্তী নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বাওইসোনা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে মাহিন্দ্র চালক মানিক মিয়াকে (২২) ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করে সাথী। মানিকের আগে একটি বিয়ে থাকায় আমরা এ বিয়ে মেনে নেইনি। মানিকের বাড়িথেকেও এই বিয়ে মেনে নেয়নি। কি কারণে আমার বোন হত্যা হলো এর কিছুই আমরা বুঝতে পাছিনা। মানিক গোপালগঞ্জ শহরের সোনাকুড় গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।

গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই হযরত আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ওই সেপটিক ট্যাকিংর ভেতর লুকিয়ে রাখে। তিনি আরো বলেন, নিহতের গলায় ওড়না পেঁচানো আছে।

About admin

Comments are closed.

Scroll To Top