Wednesday , December 13 2017
শিরোনাম
You are here: Home / দখল / পেকুয়ায় পাহাড় কেটে তৈরি করছে সমতল ভুমি, বাধা দেওয়ায় হামলায় আহত-১

পেকুয়ায় পাহাড় কেটে তৈরি করছে সমতল ভুমি, বাধা দেওয়ায় হামলায় আহত-১

এম.জুবাইদ , নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া :
পেকুয়ায় পাহাড় কাটার সময় বাধা দিতে গিয়ে ভুমি দস্যুদের হামলায় আহত হয়েছেন এক বৃদ্ধ। সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের রিজার্ভ ভুমি কেটে সমতল ভুমি তৈরি করছে প্রভাবশালী চক্র। চলাচল রাস্তাসহ পাহাড়ের উচুঁ টিলা কর্তন করে জবর দখলের মাধ্যমে অবৈধ বসতি স্থাপন করছিল তারা। এনিয়ে স্থানীয়রা চরম বিক্ষুব্ধ হয়। এতে উত্তেজিত হয়ে পাহাড় খেকোরা হামলা চালিয়ে আহত করেছেন ওই বৃদ্ধকে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত ৫ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়ার দুর্গম দক্ষিন জুম এলাকায়। আহত বৃদ্ধ আবদু ছালাম (৭০) ওই এলাকার মৃত.মোজাহার আহমদের পুত্র। এনিয়ে গত ২দিন ধরে স্থানীয়দের সাথে দখলবাজ চক্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আহত বৃদ্ধকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। লোহার রড়ের আঘাতে তার বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় তাকে বর্তমানে অর্থপেডিকস বিভাগে রেফার করা হয়েছে বলে তার পারিবারিক সুত্র জানায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গত ১৫দিন ধরে ২০/২৫জন শ্রমিক নিয়ে বারবাকিয়া রেঞ্জের পহরচাঁদা বনবিটের আওতায় শিলখালীর দক্ষিন জুম এলাকায় পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছেন একই এলাকার মৃত.বদিউল রহমানের পুত্র রোস্তম আলী  ও তার ছেলে মো.রোবেল। তারা ওই স্থানে বসতি স্থাপনের জন্য প্রায় ২০শতক সরকারী বন ভুমির উচু টিলা কর্তন করে সমতল ভুমি করছেন। জানা গেছে, ওই স্থান দিয়ে দীর্ঘ ৪০বছর ধরে দক্ষিন জুম, ভেটভেটি, বাদশার ঘোনাসহ বেশ কিছু এলাকার লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম রাস্তা ছিল। সেটির অর্ধাংশও ওই ব্যাক্তিরা কেটে জবর দখল করে চলেছেন। এমনকি অভিযুক্তরা পাহাড় কাটার পাশাপাশি মাটিগুলো দিয়ে ভরাট করছে অন্যের দখলীয় জায়গা। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী স্থানে ওই আহত বৃদ্ধ আব্দু ছালামের দীর্ঘ দিনের ভোগ-দখলীয় জায়গা জবর দখলের পাঁয়তারা করলে বাধা দেন তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন সকালে ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়ে তাকে প্রাণ নাশের চেষ্ট চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই বৃদ্ধর পরিবার।  এবিষয়ে বৃদ্ধার পরিবার স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেছেন বলে জানান।
এব্যাপারে বনবিভাগের বারবাকিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা উত্তম কুমার পাল বলেন, পাহাড় খেকোদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। যেখানে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই গিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি আমরা।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top