Thursday , January 18 2018
শিরোনাম
You are here: Home / জীবন চিত্র / জলমহাল লুটেপুটে খাচ্ছে ওরা। উন্নয়ন প্রকল্পে গেলে সরকার রাজস্ব পাবে

জলমহাল লুটেপুটে খাচ্ছে ওরা। উন্নয়ন প্রকল্পে গেলে সরকার রাজস্ব পাবে

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্কHakaluki (1)
জলমহাল লুটেপুটে খাচ্ছে ওরা। উন্নয়ন প্রকল্পে গেলে সরকার রাজস্ব পাবে। দিনে কারেন্ট জাল দিয়ে আর রাতে বেড়জাল দিয়ে ওরা মাছ শিকার করে। এভাবেই এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকির হাওরের একটি মৎস্য অভয়াশ্রমকে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করার সুপারিশের বর্ণনা করলেন মৎস্য কর্মকর্তা আবু ইউছুফ। গত ৪ এপ্রিল বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু ইউছুফ স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন জেলা জলমহাল কমিটির কাছে প্রেরণ করা হলে পলোভাঙা, মরাসুনাই ও চিকনউটি গ্রুপ বদ্ধ জলমহাল অভয়াশ্রমের ব্যবস্থাপনায় বড়দল ও হাকালুকি জাগরণী ভিসিজি (ভিলেজ কনজার্ভেটিভ গ্রুপ)। তারা অভয়াশ্রমকে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করার খবর জানতে পেরে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত না করার জন্য জেলা জলমহাল কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসকের কাছে গত ১৭ মে লিখিত আবেদন করেছে। জানা যায়- ২০১০ ও ২০১১ সালে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি হাওরের ছোটবড় ২শত ৩৮টি বিলের মধ্যে ১২টি বিলকে পর্যায়ক্রমে অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে ১১টি অভয়াশ্রম বেসকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছে। মৎস্য অভয়াশ্রমে মাছের অবস্থা দেখে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে হাওর খেকো অসাধু চক্রের। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের সাথে যোগসাজশে ৪-৫ বছরের এসব অভয়াশ্রমকে উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করে ইজারা নেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে  একটি প্রভাবশালী চক্র। ১৪২৩-১৪২৭ বাংলা মেয়াদে ইজারা প্রাপ্তির জন্য ২০১০ সালে অভয়াশ্রম ঘোষিত ৩৯৫ দশমিক ৭৫ একর আয়তনের পলোভাঙা, মরাসুনাই ও চিকনউটি গ্রুপ বদ্ধ জলমহাল ও ২০১১ সালে অভয়াশ্রম ঘোষিত ৭৫ দশমিক ২০ একর আয়তনের কৈয়ারকোনা বিলকে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। হাওর তীরের বড়লেখা উপজেলার ইসলামপুর যমুনা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও শ্রীরামপুর পিয়াং হাঁস মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি নামে দুটি সমিতি এই আবেদন করলেও এর নেপথ্য রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতারা। আবেদনের প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রণালয় এক মাসের মধ্যে যাচাই বাছাই করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Scroll To Top